হার্নিয়ার রোগ বিবরণঃ-
হার্ণিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমুহের লক্ষণভিত্তিক আলোচনাঃ-
*নাক্স ভূমিঃ-
কোষ্ঠবদ্ধ ধাতুর রোগী,নাক্সভুমিকার লক্ষণ সমষ্টি সহ বাম দিকে হার্নিয়া (অন্ত্র বৃদ্ধিতে )নাক্স ভুমিকা উপকারী।
*লাইকোপোডিয়াম :-
লাইকোপোডিয়ামের দৃষ্টিআকর্ষণীয় লক্ষণ সমষ্টিসহ ডান দিকের হার্নিয়ায় ইহা ভাল কাজ করে।রোগির পেটে বায়ু জমিয়া পেট ফুলিয়া থাকে।ভুট ভাট করে,মাঝে মাঝে খোচা দেওয়ার মত ব্যাথা,পেট ডাকে।
*বেলেডোনা :-
হার্নিযার স্হানে দপদপানি ব্যা্থা,চকচকে লাল।নাড়ি বাহির হইয়া ফিরিয়া যাইতে পারে না।পেট সাটিয়া ধরে।
*প্লামবাম মেট :-
কোষ্ঠবদ্ধ গুটলে গুটলে শক্ত মল।এই রুপ কোষ্ঠবদ্ধ রোগীদের ডান দিকের হার্নিয়ায় ইহা উপকারী।
*ওপিয়াম :-
ভীষণ কোষ্টবদ্ধ,দুই তিন দিনেও পায়খানার বেগ হয় না।যদিও পায়খানা কালো ছোট বলের মত মল তাহাদের হার্নিয়া পীড়ায় ইহা উপকারী।
বাইওকেমিক চিকিৎসা :-
ফেরাম ফসঃ-
হার্নিয়ার প্রথমাবস্হা,আক্রান্ত স্হান লাল,চিরিক মারা ব্যথায় ইহা উপকারী।
*ক্যালকেরিয়া ফ্লোর :-
হার্নিয়ার প্রধান ঔষধ।নতুন বা পুরাতন উভয় প্রকার হার্নিয়াতে ইহা ব্যবহার যোগ্য কিংবা কোন হোমিও প্যাথিকের সংঘে পর্যায়ক্রমে সেবনে উপকার হয়।
হার্নিয়া চিকিৎসার পাশাপাশি স্বাস্হ্যবিধি মেনে চলা একান্ত প্রয়োজন।নরম খাবার গ্রহন ও মলত্যাগে কোন চাপদিতে না হয়,কাাঁশি হতে না পারে সেদিকে খেয়াল করা জরুরী।
খাবারঃ--গ্যাস হয় এমন সমস্ত পণ্য খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেওয়া দরকার। এই তালিকায় মিষ্টি, প্যাস্ট্রি, মটরশুটি, বাঁধাকপি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তরল খাবার খাওয়ানো আরও ভাল, এটি কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করতে সহায়তা করবে। অ্যালকোহলযুক্ত এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয়, চর্বিযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকাও ভাল।
পেটের নাড়ি-ভুড়ি (অস্ত্র )বহির্গত হইয়া দুর্ভাগ্যক্রমে কুচকিতে অন্ডকোষে বা নাভিতে প্রবিষ্ট হলে,তাহাকে হার্নিয়া বলে।হার্নিয়া কয়েক প্রকার ,যাই হোক বারে বারে ভারী জিনিস উত্তলন অনবরত অনেক দিন হাটা,বেশী দিন বাশি বাজান,মলত্যাগ কালিন জোরে কুন্থন অধিক দিন কাশি,জোরে জোরে ক্রন্দন বা অধিক জোরে হাসা,প্রভূতি কারণে এই পীড়া হয়।
হার্ণিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমুহের লক্ষণভিত্তিক আলোচনাঃ-
*নাক্স ভূমিঃ-
কোষ্ঠবদ্ধ ধাতুর রোগী,নাক্সভুমিকার লক্ষণ সমষ্টি সহ বাম দিকে হার্নিয়া (অন্ত্র বৃদ্ধিতে )নাক্স ভুমিকা উপকারী।
*লাইকোপোডিয়াম :-
লাইকোপোডিয়ামের দৃষ্টিআকর্ষণীয় লক্ষণ সমষ্টিসহ ডান দিকের হার্নিয়ায় ইহা ভাল কাজ করে।রোগির পেটে বায়ু জমিয়া পেট ফুলিয়া থাকে।ভুট ভাট করে,মাঝে মাঝে খোচা দেওয়ার মত ব্যাথা,পেট ডাকে।
*বেলেডোনা :-
হার্নিযার স্হানে দপদপানি ব্যা্থা,চকচকে লাল।নাড়ি বাহির হইয়া ফিরিয়া যাইতে পারে না।পেট সাটিয়া ধরে।
*প্লামবাম মেট :-
কোষ্ঠবদ্ধ গুটলে গুটলে শক্ত মল।এই রুপ কোষ্ঠবদ্ধ রোগীদের ডান দিকের হার্নিয়ায় ইহা উপকারী।
*ওপিয়াম :-
ভীষণ কোষ্টবদ্ধ,দুই তিন দিনেও পায়খানার বেগ হয় না।যদিও পায়খানা কালো ছোট বলের মত মল তাহাদের হার্নিয়া পীড়ায় ইহা উপকারী।
বাইওকেমিক চিকিৎসা :-
ফেরাম ফসঃ-
হার্নিয়ার প্রথমাবস্হা,আক্রান্ত স্হান লাল,চিরিক মারা ব্যথায় ইহা উপকারী।
*ক্যালকেরিয়া ফ্লোর :-
হার্নিয়ার প্রধান ঔষধ।নতুন বা পুরাতন উভয় প্রকার হার্নিয়াতে ইহা ব্যবহার যোগ্য কিংবা কোন হোমিও প্যাথিকের সংঘে পর্যায়ক্রমে সেবনে উপকার হয়।
হার্নিয়া চিকিৎসার পাশাপাশি স্বাস্হ্যবিধি মেনে চলা একান্ত প্রয়োজন।নরম খাবার গ্রহন ও মলত্যাগে কোন চাপদিতে না হয়,কাাঁশি হতে না পারে সেদিকে খেয়াল করা জরুরী।
খাবারঃ--গ্যাস হয় এমন সমস্ত পণ্য খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেওয়া দরকার। এই তালিকায় মিষ্টি, প্যাস্ট্রি, মটরশুটি, বাঁধাকপি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তরল খাবার খাওয়ানো আরও ভাল, এটি কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করতে সহায়তা করবে। অ্যালকোহলযুক্ত এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয়, চর্বিযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকাও ভাল।
Comments
Post a Comment