জ্বরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

জ্বর(FEVER)
অতিশয় উত্তাপ বা অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগা শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম।অপরিমিত আহার বিহার,অন্ত্রে কৃমি,রাত্রি জাগরণ,ঋতু পরিবর্তণ,ঘর্ম রোধ,জলে ভিজা,ভয় পাওয়া প্রভৃতি কারণে জ্বর হইতে পারে।জ্বর নিজে কোন রোগ নয়,অন্য রোগের প্রতিফল স্বরুপ জ্বর  দেখা দেয়।এই কারণে জ্বরের কারণ জানা বিশেষ প্রয়োজন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দ্বারা জ্বর আরোগ্য লাভ করবে এবং জ্বর পরবর্তী সময়ে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।হোমিওপ্যাথি আদর্শ আরোগ্যের একমাত্র উপায়।হোমিওপ‍্যাথিক চিকিৎসা নিন,সুস্থ্য থাকুন।

জ্বরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ঔষধ নির্বাচনের নির্দেশিকা ঃ
জ্বর কেবলমাত্র দিনে দেখা দেয়ঃ 
নেট্রাম মিউর।
জ্বর মধ্যাহেৃ দেখা দেয়-
আর্সেনিক,ক্যাকটাস,ক্যালকেরিয়া কার্ব,ড্রসেরা, ল্যাকেসিস, লাইকোপোডিয়াম ,নেট্রাম মিউর,নাক্স ভূমি,,পালসেটিলা, সালফার ইত্যাদি।
জ্বর অপরাহেৃ দেখা দেয়-এপিস,আর্সেনিক,জলসিমাম,,লাইকোপোডিয়াম,নাক্স ভুমি,পালসেটিলা ইত্যাদি।
জ্বর সন্ধ্যায় দেখা দেয়-এলুমিনা,এমোনকার্ব,এপিস,আর্নিকা, বেলেডোনা, ব্রাইওনিয়া,সিনা,হিপরসালফ,লাইকোপোডিয়াম ,মার্কুরিয়াস, ফসফরাস, পালসেটিলা,পাইরোজেন,রাস টক্স ,সিপিয়া,সালফার ইত্যাদি।
জ্বর রাত্রে দেখা দেয়-কার্বো এনি,ইউপেটোরিয়াম,পারফো,ফেরাম ফস, হিপারসালফ,হাইওসিয়েমাস,মার্কুরিয়াস,নাক্স ভুমি,ফসফরাস,সালফার ইত্যাদি।
প্রত্যহ একই সময়ে আসে-
জেলসিয়ামাস,হেলেবুরাস,কেলি কার্ব ,সিনা ,স্যাবাডি,স্পাইজি,থুজা সিড্রন ইত্যাদি।
অনিয়মিত-আর্সেনিক,ইগ্নেসিয়া,পালসেটিলা,নাক্স ভূমি ,সোরিনাম ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর রাত্রি ১টায় দেখা দেয় -আর্সেনিক।
শীত করিয়া জ্বর রাত্রি ৩টায় দেখা দেয়-ফেরৎ ফস,থূজা সিড্রন ইত্যাদি ।
শীত করিয়া জ্বর রাত্রি ৪টায় দেখা দেয়-এলুমিনা,আর্নিকা,সিড্রন ইত্যাদি ।
শীত করিয়া জ্বর রাত্রি ৪/৫টায় দেখা দেয়-নাক্স ভূমি,সালফার ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর প্রাতে ৫টায় দেখা দেয়-এপিস,বোভিস্টা ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর প্রাতে ৬টায় দেখা দেয়-আর্নিকা,বোভিস্টা,ফেরাম ফস, হিপার , লাইকোপোডিয়াম,নাক্স ভূমি,ভিরেট্রাম ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর প্রাতে ৯টায় দেখা দেয়-ইউপেটোরিয়াম পারফো, লাইকোপোডিয়াম , নেট্রাম মিউর ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর বেলা ১০টা হতে বিকাল ৫টা দেখা দেয়-সালফার।
শীত করিয়া জ্বর বেলা ১০টায় দেখা দেয়-নেট্রাম মিউর,স্ট্যানাম।(শীত ব্যাতিরেকে জ্বর-জেলসিয়ামাস,নেট্রাম মিউর,থুজা, আর্সেনিক ইত্যাদি)।
শীত করিয়া জ্বর বেলা ১০/১১টায় আসে-নেট্রাম মিউর,নাক্স ভুমি,সােইলিসিয়া  আর্সেনিক ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর বেলা ১১টায় আসে-ব্যাপটিসিয়া,ক্যাকটাস,চিনিনাম সালফার ,ইপিকাক,নেট্রাম মিউর,নাক্স ভূমি ,সাইলিসিয়া সিপিয়া ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর বেলা ১২টায় আসে-কেলি কার্ব,ল্যাকেসিস, সাইলিসিয়া, সালফার ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর বেলা ১টায় আসে-ক্যাল্কেরিয়া, আর্সেনিক কেলি কার্ব ,ইউপেটোপারফো,ল্যাকেসিস,নাইট্রিক এসিড পালসেটিলা ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর বেলা ৩টায়আসে-এন্টিমটার্ট,এপিস,আর্সেনিক,বেলেডোনা
,চেলেডোনিয়াম,স্যাম্বুকাস,স্ট্যাফিসেগ্রিয়া  ,থুজা ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর বেলা ৪টায় আসে-সিড্রন,চিনিনাম,সালফ,হিপার, লাইকোপোডিয়াম,নেট্রাম সারফ,পালসেটিলা ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর বৈকাল ৭টায় আসে-বোভিস্টা,সিড্রন,সালফার,ফেরাম ফস,হিপার,লাইকোপোডিয়াম,নেট্রাম সালফ,পালসেটিলা,পাইরোজেন,রাস টক্স,সালফার,টিউবারকুলিনাম ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর রাত্রি ৮টায় আসে-কফিয়া,হিপার সালফ,রাস টক্স বোভিস্টা ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর রাত্রি ১০টায় আসে-আর্সেনিক,বোভিস্টা,চিনিনাম সালফ ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর রাত্রি ১১টায় আসে-আর্সেনিক,ক্যাকটাস,কার্ব এনি ইত্যাদি।
শীত করিয়া জ্বর রাত্রি ১২টায় আসে-আর্সেনিক,কষ্টিকাম,সালফার ইত্যাদি।
জ্বরের শীত অবস্হায় পিপাসা-এপিস,আর্নিকা,ক্যাপসিকাম,কার্ব ভেজ ,ডালকামারা,ই উপেটো,ফেরাম ফস ,এলুমিনা ,ইগ্নেসিয়া,লিডাম,নেট্রাম মিউর ,প্লাম্বাম,রাস টক্স,সিকেল ,সিপিয়া,ভিরেট্রাম ইত্যাদি।
জ্বরের শীত অবস্হায় কাশি-ব্রাইওনিয়া,সোরিনাম,রাসটক্স,স্যাবাডি,স্যাম্বু টিউবারকু ইত্যাদি।
জ্বরের শীত অবস্হায় নিদ্রা-এপিস,মেজেরিযাম,মার্কুরিয়াস,নেট্রাম মিউর, ওপিয়াম,পডোফাইলাম ইত্যাদি।
জ্বরের উত্তাপ অবস্হায় পিপাসা-আর্নিকা,আর্সেনিক,বেলেডোনা, ব্রাওনিয়া, সিড্রন,ক্যামোমিলা,সিনা,ইউপেটো,হিপার,সোরিনাম,পালসেটিলা,রাস টক্স, সিকেল , সাইলেসিয়া,থুজা ইত্যাদি।
জ্বরের উত্তাপ অবস্হায় কাশি-একোনাইট,ব্রাইওনিয়া,ইপিকাক ইত্যাদি।
জ্বরের উত্তাপ অবস্হায় নিদ্রা-এন্টিমটার্ট ,সিনা,ল্যাকেসিস,নেট্রাম মিউর ,ওপিয়াম,পডোফাইলাম,স্যাম্বুকাস,এপিস ,ইগ্নেসিয়া ইত্যাদি।
জ্বরের উত্তাপ অবস্হায় ঘর্ম-কলচিকাম।
জ্বরের ঘর্মাবস্হায় পিপাসা-নেট্রাম মিউর, আর্সেনিক ,স্ট্র্যামো ইত্যাদি।
জ্বরের ঘর্মবস্হায় কাশি-আর্জেন্টাম নাইট,আর্সেনিক,ড্রসেরা।
জ্বরের ঘর্মবস্হায় নিদ্রা-ইগ্নেসিয়া,আর্নিকা,বেলোডোনা, মেজেরিয়াম, ওপিয়াম, পডোফাইলাম,পালসেটিলা,সিনা,রাসটক্স ইত্যাদি।
বিভিন্ন প্রকার জ্বরের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের পার্থক্য বিচার-

একোনাইট ন্যাপ
হঠাৎ জ্বরের আক্রমন ঘর্মবিহীন অবিরাম জ্বরে অন্তঃদাহ অস্হিরতা, ছটফটানি,প্রবলপিপাসা,অধিক পরিমানে ঘন ঘন জল পান।বারে বারে এপাশ ওপাশ করা মৃত্যু ভয় ইত্যাদি লক্ষণে ইহা ইপকারী।

বেলেডোনা
চোখ,মুখ,লাল প্রচন্ড মাথা ব্যাথার সহিত ভীষণ জ্বর গা অত্যান্ত গরম একটু তন্দ্রা ভাব আসিলেই চমকাইয়া ইঠে।স্বল্প বিরাম জ্বর মধ্যে মধ্যে গরম ঘাম।

জেলসিমিয়ম
সকল প্রকার জ্বরে রোগী নিশ্চুপ হইয়া পড়িয়া থাকে।ডাকিলে সারা দেয় না।পায়ের তলা ঠান্ডা মাথা গরম অত্যান্ত দুর্বল তন্দ্রাচ্ছন্ন হইয়া পড়িয়া থাকে।মাঝে মাঝে চমকাইয়া উঠে।জল পিপাসা বড় একটা থাকে না।

ব্রাওনিয়া
অবিরাম সবিরাম য েকোন প্রকারের জ্বরেই হোক,লক্ষণ মিলিয়ে ব্রায়োনিয়া প্রয়োগ করা যায়।সর্বাঙ্গে বেদনা,কাশি,রোগী চুপ করিয়া পড়িয়া থাকে নড়া চড়া করে না।নড়াচড়ায় তার সকোল যন্ত্রনা বৃদ্ধি।কোষ্ঠবদ্ধ জিহ্বা হরিদ্রা বা সাদা বর্ণ।প্রবল পিপাসা,অনেক বিলম্বে অধিক পরিমাণে জল পান করে,মাঝে মাঝে প্রলপে বাড়ী যাইবার কথা বলে।

রাস টক্স
ঠান্ডা লাগিয়া,জলে ভিজিয়া,ভিজা সেতসেত স্হানে বাস করিয়া সর্দি কাশি,জ্বর,গাত্র বেদনা,রোগী সর্বদাই এপাশ ওপাশ করে।চুপ করিয়া থাকিলে রোগীর সকোল যন্ত্রণাদী বৃদ্ধি।

আর্সেনিক এলবাম
অবিরাম সবিরাম বাত জ্বর,ম্যালেরিয়া যে কোন জ্বরে লক্ষণ মিলিলে আর্সেনিক প্রয়োগ করা যায়।গাত্র দাহ,ছটফটানি,মৃত্যু ভয়,অবসাদ,অল্প পরিমানে ঘন ঘন জল পান,পায়খানায় ভীষণ দুর্গন্ধ।

ইপিকাক
যে কোন জ্বরের সহিত বমি বমি ভাব অর্থাৎ গা বমি বমি জ্বর আসিবার পুর্বে রোগীর হাই উঠে।জ্বরের সময় রোগী চুপ করিয়া পড়িয়া থাকে।ইপিকাকের জিহ্বা প্রায় পরিস্কার থাকে,মাথা নীচু করিলে বমির ভাব আরো বৃদ্ধি পায় ইত্যাদি লক্ষণে ইপিকাক অব্যর্থ।

এরাম ট্রাই
টাইফয়েড জ্বরে জ্বরে রোগী নাক ও ঠোট খুটিতে দেখিলে এই ঔষধ সেবনে জ্বর সম্পুর্ণ আরগ্য না হলেও লক্ষণ অনুসারে অন্য ঔষধ ব্যবস্হা করিলে শিগ্রই উপকার হয়।

সিনা
কৃমিগ্রস্ত শিশুদের জ্বর প্রায়েই বিকাল বা সন্ধায় আসে।খিট খিটে মেজাজ,ঘুমের ঘরে  চিৎকার দিয়া উঠে।দাত কাটে নাক খোটে,ঘ্যান ঘ্যান,প্যান প্যান করে।
পালসেটিলাঃহাত,পা,চক্ষুজ্বালার সহিত প্রায়ই বিকালে জ্বর আসে।মুখ শুকাইয়া যায়।তবু জল পিপাসা হয়না।শান্ত স্বভাব,কোমল মোন,গরমে কাতর,খোলা বাতাস পছন্দ করে এই ধাতুর রেগীতে ইহা উপকারী।

মার্ক সল
জ্বরের সহিত ঘর্ম,ঘর্মের সহিত জ্বর।ঘর্মে জ্বরের উপশম না হইয়া বরং আরো বৃদ্ধি।শরীরের কোন স্হানে গ্ল্যান্ড প্রদাহিত হইয়া উক্ত লক্ষণ গুলি দেখা দিলে মার্কসল উপকারী।

হেলিবোরাস
বিকাল ৪টা হতে রাত ৮টায় জ্বর বৃদ্ধি।অজ্ঞান ভাবে পড়িয়া থাকে।ডাকিলে সাড়া দেয় না।মুখে জলের পাত্রটি  ধরিলে হা করিয়া জল পান করে।কোন কিছু চিবাইবার মতো মুখ নাড়ে।মাঝে মাঝে এক দিকের হাত পা নাড়ে।অন্য দিকের হাত পা স্হির ভাবে পড়িয়া থাকে।এই সমস্হ লক্ষণে এই ঔষধ সেবণ করিতে দিয়া কয়েকটি মৃত্যুর পথ যাত্রী রোগীকে আমি আরগ্য হইতে দেখেছি।

এসিড মিউর
টাইফয়েড জ্বরের বিকার অবস্হায় বাহ্যি প্রস্রাব অসাড়ে হয় বিড় বিড় করিয়া বকে।মুখে দুর্গন্ধ ঘা,দাতে ময়লা।অজ্ঞন হইয়া পরিয়া থাকে।অত্যান্ত দুর্বল।বালিশ হতে মাথা গড়াইয়া পড়ে।নীচের চুয়াল ঝুলিয়া যায়।এক দৃষ্টি চাহিয়া থাকে।

হায়োসিয়ামস
টায়ফয়েড বা সূতিকা জ্বরে রোগী অত্যান্ত দুর্বল,আচ্ছন্ন ভাবে পড়িয়া থাকে।মাঝে মাঝে বিড় বিড় করে।উপরের দিকে হাত তুরিয়া কি যেন ধরিতে চায়।ডাকিলে সাড়রা দেয় না।অজ্ঞান অবস্হায় চক্ষু মেলিয়া এক দৃষ্টি তাকাইয়া থাকে।বিছানা খোটে।

চিনিনম সালফ
ম্যালেরিয়া জ্বরের প্রধান ঔষধ।শীত করিয়া কম্প দিয়া জ্বর আসে।তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাইয়া ১০৪,১০৫এমনকি ১০৬উঠে।জল পিপাসা ও গায়ে জালা হয়।পরে ঘাম দিয়া জ্বর ছাড়িয়া যায়।এইভাবে জ্বর আসা ও ছাড়িয়া যাওয়া ইহার প্রধান পরিচয়।

চিনিনম আর্স
সর্বদাই শীত শীত ভাব।জ্বরের পুর্বে ঘন ঘন হাই উঠে।জ্বর প্রত্যাহ বা একদিন অন্তর আসে।জ্বর ত্যাগ কালে অল্প ঘর্ম হয় কখনও হয়ওনা।অল্প পিপাসা রাতে জ্বর বৃদ্ধি।ইত্যাদি লক্ষণে সবিরাম বা অবিরাম উভয় প্রকার জ্বরেই উপকারী হয়।




বাইওকেমিক চিকিৎসা
ফেরাম ফস
সর্ব প্রকার জ্বরের প্যথমাবস্হায় ফেরাম ফস উৎকৃষ্ট ঔষধ।কোষ্ঠবদ্ধ জিহ্বায় সাদা প্রলেপ শরীর বেদনা ইত্যাদি লক্ষণে উক্ত ঔষধ উপকারী।
নেট্রাম মিউর
জ্বর আসিবার পুর্বে মাথা ব্যাথা ও জল পিপাসা হইতে থাকে।শীত করিয়া  কম্প দিয়া বেলা ১০টা ১১টায় কিংবা বিকালে জ্বর আসে।নিম্ন ঠোটের মধে ভাগ ফাটা ফাটা,জ্বর ঠুটো।
ক্যালি সালফ
হাত,পা জ্বালার সহিত ঘর্ম বিহিন জ্বর।জ্বর সন্ধায় বৃদ্ধিতে ইহা আমোঘ।
ক্যালি ফস
টাইফয়েড জ্বরের রোগী অত্যান্ত দুর্বল,অনিদ্রা,পেট ফাপা,বাহ্যে প্রস্রাবে অত্যান্ত দুর্গন্ধ ইত্যাদি লক্ষণে ইহা অব্যর্থ।
নেট্রাম সালফ
ঠান্ডা আবহাওয়া কিংবা বর্ষাকালে জলে ভিজিয়া অবিরাম সবিরাম জ্বরে শরীরের টাটানী ব্যথায় ইহা উপকারী।
 রোগীর চরিত্রগত লক্ষণ বা রোগলক্ষণের বৈশিষ্ট্য যেমন শীতাবস্হায় পিপাসা বা ঘর্মবস্হায় পিপাসা কিম্বা জলপান মাত্রেই বমি বা জলপানের কিছুক্ষণ পরে বমি,মানসিক লক্ষণ ইত্যাদি  ঔষধ নির্বাচনের শ্রেষ্ঠ উপায়।উপরে উল্লেখিত ঔষধ নিজে নিজে নির্বাচন না করে লক্ষ ডাক্তারের সাহায্য দিদ।হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নীতিতে রোগ আরোগ্য সহজ হলেও ঔষধ নির্বাচন কঠিন কাজ।একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারই এ কাজটি করিতে সক্ষম।

Comments