বাধক বেদনার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।
এটি একটি স্ত্রী রোগ।নারীদের অনিয়মিত, ঋতুবন্ধ বা স্বল্পঋতু।ঋতুকালে স্ত্রীজননেন্দ্রিয়ের যান্ত্রিক বা ক্রিয়াবিকৃতির এবং স্নায়ুবিক কারনে যদি অল্প রক্তস্রাবসহ তলপেটে ও কোমরে কষ্টকর ব্যাথা থাকে তবে তাকে কষ্টরজ,ঋতুশূল বা সাধারন কথায় বাধকবেদনা বলে। দেহ-রোগতত্বের উপর ভিক্তি করে একে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।প্রাথমিক বাধকবেদনা কৈশোরে রজঃচক্র শুরুতেই দেখা দেয় এর সাথে তলপেটের কোনো রোগের সাথে সম্পর্ক থাকে না।এটি অতিরিক্ত প্রোষ্টাগ্লান্ডিন এর কারনে হয়।দ্বিতীয় বাধকবেদনা খুবই বিরক্তিকর,এটির সাথে অবশ্যই মহিলাদের তলপেটের বিভিন্ন সমস্যা সম্পৃক্ত থাকে যা সাধারনত কৈশোরে হয় না। এটি জরায়ু,ডিম্বাশয় নালী এবং ডিম্বাশয়ের বিভিন্ন রোগ ও বিকৃতির কারনে হয়।
প্রকারভেদঃ
বাধক বেদনাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।যথা ঃ
প্রকারভেদঃ
বাধক বেদনাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।যথা ঃ
- ১)সংকোচন জনিত বাধক।
- ২)রক্তাধিক্য জনিত বাধক।
- ৩)ঝিল্লীযুক্ত বাধক।
বাধক বেদনার হোমিওপ্যাথিক ঔষধসমুহের লক্ষণভিত্তিক আলোচনাঃ
*পালসেটিলা:ঋতুকালে পা ফুলিয়া ওঠে,স্তনে দুধ দেখা দেয়।স্রাব কেবল মাত্র দিনের বেলায় হয়।নম্র স্বভাব,ক্রন্দনশীলা,কোমর হইতে জরাযুর মুখ পর্যন্ত বেদনা।স্রাবের সহিত বড় বড় রক্তের চাপ।থাকিয়া থাকিয়া স্রাব,স্রাবের সহিত যন্ত্রনা ও শীত।
*একোনাইট:শীতকালে ঠান্ডা বাতাস লাগিয়া হঠাৎ ঋতুস্রাব বন্ধ হইয়া দারুন যন্ত্রনায় রোগী একেবারে অস্হির হইয়া পড়ে এবং মৃত্যুর ভয়ে কাতর হইয়া পড়ে।
*বেলেডোনা:-যন্ত্রনায় মাথা একেবারে গরম হইয়া উঠে,মুখ-চোখ লাল হইয়া উঠে,স্রাব থাকিয়া থাকিয়া দেখা দেয়।স্রাব অত্যান্ত উত্তপ্ত।পর্যায়ক্রমে স্রাব ও মাথা ব্যাথা।ব্যাথা হঠাৎ আসে হঠাৎ যায়।
*ক্যামোমিলা:-ঝগরা বিবাদের পর ঋতুকষ্ট।যন্ত্রনায় বাড়ি শুদ্ধ লোক জনকে গালি দিতে থাকে।যন্ত্রনায় উত্তাপ প্রয়োগে উপশম হয়।সময় সময় ঋতুকষ্টের সহিত দাতের যন্ত্রনাও দেখা দেয়।এই রোগীর জন্য ক্যামোমিলা উপযোগী।
*কলোসিন্থ:-ক্রদ্ধ হইবার পর ঋতুকষ্ট।যন্ত্রনা চাপিয়া ধরিলে কমিয়া যায়।উত্তাপে উপশম -বোধ হয় (ম্যাগ-ফস)।ব্যাথার চোটে রোগী সোজা হইয়া দাড়াইতে পারে না।
*নাক্স ভূমিকা:-কুদ্ধ হইবার পর বা রাত্রি-জাগোরণ এর পর ঋতুকষ্ট।যন্ত্রণার সহিত ক্রমাগত মলত্যাগের ইচ্ছা বা মুত্রত্যাগের ইচ্ছা।
*সেনিসিও অরিয়াস:-ঋতুস্রাব বাধাপ্রাপ্ত হইয়া কাশি,যক্ষা,কাশি রাত্রে বৃদ্ধি পায়।ঋতুস্রাব বাধা প্রাপ্ত হইয়া প্রস্রাবদ্বার বা অন্য কোন দ্বার দিয়ে রক্ত স্রাবজনিত শোথ।
*ল্যাকেসিস:-ঋতু বেশ অনিয়মিত,কিন্তু স্রাবের পূর্বে ও পরে যন্ত্রনা।
*গ্রাফাইটিস:-স্হুলকায়,সঙ্গমে অনিচ্ছা, কোষ্ঠবদ্ধ।স্রাব অল্প ওঅত্যান্ত যন্ত্রনাদায়ক।পায়ে ঠান্ডা লাগিয়া ঋতু রোধ।
*ম্যাগ-ফস:-ব্যাথা চাপিয়া ধরিলে ও উত্তাপ প্রয়োগ উপশম।
*ম্যাগ-কার্ব:-ঋতুকালে গলা ব্যাথা ও গলার মধ্যে ঘা ,স্রাব অত্যান্ত কালো,ধুইলে পরিস্কার হয় না।কেবল মাত্র রাত্রে নিদ্রাকালে স্রাব।
*জ্যাবোরান্ডি:-ঋতুকষ্টের সহিত মাথা ব্যাথা; অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ,গর্ভবস্হায় শোথ, প্রসবকালিন আক্ষেপ;স্তন্যের অভাব;মুত্রকষ্ট; কর্নমুল প্রদাহ;ছানি।
*ভাইবার্নাম ওপিউলাস:-ঋতু প্রকাশ পাইবার পূর্বে পেটে নিদারুন যন্ত্রনা।ঋতুকষ্টের সহিত মনে হইতে থাকে শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া বন্ধ হইয়া য়াবে,পায়ে খিল-ধরা।প্রসব বেদনার ন্যায় কোমর হইতে জরায়ুর মুখ পর্যন্ত ছুটিয়া আসে।ব্যাথা চাপে উপশম,রোগী উঠিয়া বসিতে গেলেমাথা ঘুরায়।স্রাব কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ থাকিয়া পুনরায় নির্গত হইতে থাকে,স্রাবের দাগ উঠিতে চায় না ।গর্ভাবস্হায় পেটে কিম্বা পায়ে খিল ধরা।লিউকরিয়া।গর্ভপাত বন্ধ করে (স্যাবাইনা)।
*মেডোরিনাম:-সাইকোসিসের দোষবশত দারুণ ঋতুকষ্ট।রোগী বরফ ও বাতাস খাইতে পছন্দ করে, স্রাব কাল বর্ণের।ধুলেও দাগ উঠে না।
*আষ্টিলেগো:- জরায়ুর দোষবশত প্রচুর ঋতুস্রাব,স্রাব বন্ধ হইলে বাম স্তনে ব্যথাবোধ।গর্ভবর্তী স্ত্রীলোককে আষ্টিলেগো প্রয়োগ করা উচিত নয়।
*এমোন-কার্ব:-ঋতুকালে ভেদবমি,স্রাব এত ক্ষতকর উরু হাজিয়া যায়।স্রাবের সহিত দন্ডশুল বা পেটব্যাথা,টনসিল-প্রদাহ,প্রাতে মুখ ধুইবার সময় নাক দিয়া রক্ত স্রাব।
*গসিপিয়াম:থাকিয়া থাকিয়া ব্যাথা;গর্ভবস্হায় গা বমি,কিন্তু নিম্নশক্তি গর্ভস্রাব ঘটায় ও বন্ধাত্ব দোষের মহৌষধ।
*জ্যান্হজাইলাম:ইহাতেও ঋতুকষ্ট অত্যান্ত প্রবল।উদাস ভীরু দক্ষিণ ডিম্বকোষে ব্যথা কোমর হইতে উরুদেশ পর্যন্ত;শ্বাস-রুদ্বকর; টিউমার।ক্যান্সার।
*সিমিসিফুগাঃ বাচাল,মুর্ছাবায়ুগ্রস্হ ও বাতরোগ গ্রস্হ স্ত্রীদোকদের জন্য ফলপ্রদ।রোগীনির স্রাব বৃদ্ধিপায় বেদনা ততই বৃদ্ধি পায়,ব্যাথা কোমরের এব প্রান্ত হইতে অপর প্রান্তে ছুটিতে থাকে।এই রোগী যে পার্শে চাপিয়া শুইতে চাহেন সেই পার্শে মাংশপেশী অত্যন্ত স্পন্দিত হইতে থাকে।
প্রতিকারঃগরম সেকা দিলে যদি আরাম পাওয়া যায় তাহলে মাসিকের সময় বিশ থেকে পচিশ মিনিট করে দিনে দুই বা তিন বার গরম সেকা দিতে হবে।আয়রন,ম্যাগনেশিয়াম,ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেতে হবে।
*পালসেটিলা:ঋতুকালে পা ফুলিয়া ওঠে,স্তনে দুধ দেখা দেয়।স্রাব কেবল মাত্র দিনের বেলায় হয়।নম্র স্বভাব,ক্রন্দনশীলা,কোমর হইতে জরাযুর মুখ পর্যন্ত বেদনা।স্রাবের সহিত বড় বড় রক্তের চাপ।থাকিয়া থাকিয়া স্রাব,স্রাবের সহিত যন্ত্রনা ও শীত।
*একোনাইট:শীতকালে ঠান্ডা বাতাস লাগিয়া হঠাৎ ঋতুস্রাব বন্ধ হইয়া দারুন যন্ত্রনায় রোগী একেবারে অস্হির হইয়া পড়ে এবং মৃত্যুর ভয়ে কাতর হইয়া পড়ে।
*বেলেডোনা:-যন্ত্রনায় মাথা একেবারে গরম হইয়া উঠে,মুখ-চোখ লাল হইয়া উঠে,স্রাব থাকিয়া থাকিয়া দেখা দেয়।স্রাব অত্যান্ত উত্তপ্ত।পর্যায়ক্রমে স্রাব ও মাথা ব্যাথা।ব্যাথা হঠাৎ আসে হঠাৎ যায়।
*ক্যামোমিলা:-ঝগরা বিবাদের পর ঋতুকষ্ট।যন্ত্রনায় বাড়ি শুদ্ধ লোক জনকে গালি দিতে থাকে।যন্ত্রনায় উত্তাপ প্রয়োগে উপশম হয়।সময় সময় ঋতুকষ্টের সহিত দাতের যন্ত্রনাও দেখা দেয়।এই রোগীর জন্য ক্যামোমিলা উপযোগী।
*কলোসিন্থ:-ক্রদ্ধ হইবার পর ঋতুকষ্ট।যন্ত্রনা চাপিয়া ধরিলে কমিয়া যায়।উত্তাপে উপশম -বোধ হয় (ম্যাগ-ফস)।ব্যাথার চোটে রোগী সোজা হইয়া দাড়াইতে পারে না।
*নাক্স ভূমিকা:-কুদ্ধ হইবার পর বা রাত্রি-জাগোরণ এর পর ঋতুকষ্ট।যন্ত্রণার সহিত ক্রমাগত মলত্যাগের ইচ্ছা বা মুত্রত্যাগের ইচ্ছা।
*সেনিসিও অরিয়াস:-ঋতুস্রাব বাধাপ্রাপ্ত হইয়া কাশি,যক্ষা,কাশি রাত্রে বৃদ্ধি পায়।ঋতুস্রাব বাধা প্রাপ্ত হইয়া প্রস্রাবদ্বার বা অন্য কোন দ্বার দিয়ে রক্ত স্রাবজনিত শোথ।
*ল্যাকেসিস:-ঋতু বেশ অনিয়মিত,কিন্তু স্রাবের পূর্বে ও পরে যন্ত্রনা।
*গ্রাফাইটিস:-স্হুলকায়,সঙ্গমে অনিচ্ছা, কোষ্ঠবদ্ধ।স্রাব অল্প ওঅত্যান্ত যন্ত্রনাদায়ক।পায়ে ঠান্ডা লাগিয়া ঋতু রোধ।
*ম্যাগ-ফস:-ব্যাথা চাপিয়া ধরিলে ও উত্তাপ প্রয়োগ উপশম।
*ম্যাগ-কার্ব:-ঋতুকালে গলা ব্যাথা ও গলার মধ্যে ঘা ,স্রাব অত্যান্ত কালো,ধুইলে পরিস্কার হয় না।কেবল মাত্র রাত্রে নিদ্রাকালে স্রাব।
*জ্যাবোরান্ডি:-ঋতুকষ্টের সহিত মাথা ব্যাথা; অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ,গর্ভবস্হায় শোথ, প্রসবকালিন আক্ষেপ;স্তন্যের অভাব;মুত্রকষ্ট; কর্নমুল প্রদাহ;ছানি।
*ভাইবার্নাম ওপিউলাস:-ঋতু প্রকাশ পাইবার পূর্বে পেটে নিদারুন যন্ত্রনা।ঋতুকষ্টের সহিত মনে হইতে থাকে শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া বন্ধ হইয়া য়াবে,পায়ে খিল-ধরা।প্রসব বেদনার ন্যায় কোমর হইতে জরায়ুর মুখ পর্যন্ত ছুটিয়া আসে।ব্যাথা চাপে উপশম,রোগী উঠিয়া বসিতে গেলেমাথা ঘুরায়।স্রাব কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ থাকিয়া পুনরায় নির্গত হইতে থাকে,স্রাবের দাগ উঠিতে চায় না ।গর্ভাবস্হায় পেটে কিম্বা পায়ে খিল ধরা।লিউকরিয়া।গর্ভপাত বন্ধ করে (স্যাবাইনা)।
*মেডোরিনাম:-সাইকোসিসের দোষবশত দারুণ ঋতুকষ্ট।রোগী বরফ ও বাতাস খাইতে পছন্দ করে, স্রাব কাল বর্ণের।ধুলেও দাগ উঠে না।
*আষ্টিলেগো:- জরায়ুর দোষবশত প্রচুর ঋতুস্রাব,স্রাব বন্ধ হইলে বাম স্তনে ব্যথাবোধ।গর্ভবর্তী স্ত্রীলোককে আষ্টিলেগো প্রয়োগ করা উচিত নয়।
*এমোন-কার্ব:-ঋতুকালে ভেদবমি,স্রাব এত ক্ষতকর উরু হাজিয়া যায়।স্রাবের সহিত দন্ডশুল বা পেটব্যাথা,টনসিল-প্রদাহ,প্রাতে মুখ ধুইবার সময় নাক দিয়া রক্ত স্রাব।
*গসিপিয়াম:থাকিয়া থাকিয়া ব্যাথা;গর্ভবস্হায় গা বমি,কিন্তু নিম্নশক্তি গর্ভস্রাব ঘটায় ও বন্ধাত্ব দোষের মহৌষধ।
*জ্যান্হজাইলাম:ইহাতেও ঋতুকষ্ট অত্যান্ত প্রবল।উদাস ভীরু দক্ষিণ ডিম্বকোষে ব্যথা কোমর হইতে উরুদেশ পর্যন্ত;শ্বাস-রুদ্বকর; টিউমার।ক্যান্সার।
*সিমিসিফুগাঃ বাচাল,মুর্ছাবায়ুগ্রস্হ ও বাতরোগ গ্রস্হ স্ত্রীদোকদের জন্য ফলপ্রদ।রোগীনির স্রাব বৃদ্ধিপায় বেদনা ততই বৃদ্ধি পায়,ব্যাথা কোমরের এব প্রান্ত হইতে অপর প্রান্তে ছুটিতে থাকে।এই রোগী যে পার্শে চাপিয়া শুইতে চাহেন সেই পার্শে মাংশপেশী অত্যন্ত স্পন্দিত হইতে থাকে।
প্রতিকারঃগরম সেকা দিলে যদি আরাম পাওয়া যায় তাহলে মাসিকের সময় বিশ থেকে পচিশ মিনিট করে দিনে দুই বা তিন বার গরম সেকা দিতে হবে।আয়রন,ম্যাগনেশিয়াম,ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেতে হবে।

Comments
Post a Comment