চর্মরোগ রোগ কি ?
ইহা সাধারণত ছোঁঁয়াচে রোগ।ফোষ্কার মত কুস্তুরির মত পূঁজ যুক্ত,রস যুক্ত,শুষ্ক বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ দেখা দেয়।এটি একটি যন্ত্রনাদায়ক রোগ।সহজে আরগ্য হয় না।এতে রক্ত দুষিত হয়।অপরিচ্ছন্নতার কারনে এইরোগ বেশি হয়।
চর্মরোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ নির্বাচন গাইড ঃ
গ্রাফাইটিসঃ
-স্থুলকায় সন্দেহ পরায়ন,শীত কাতর রোগীর কানের পাশে,মুখে,মাথায়,চোখের পাতায়,জননেদ্রিয়ে, অন্ডকোষে,হাতের আঙ্গুলে,পায়ের নখে,প্রভৃতি স্থানের চামড়া মোটা,তাতে ভিষন চুলকানী,ক্ষত থেকে মধুর মত আঠালো রস নির্গত হয়।মধুর মত আঠা যুক্ত কষই গ্রাফাইটিসের প্রধান পরিচয়।
পেট্রোলিয়ামঃ
শীতকাতর রোগী,শীত কালে শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাতে,পায়ে,অন্ডকোষে ব্যাপক আকার চর্ম রোগ দেখা দেয়।আবার গ্রীষ্মকাল আসলেই আপনা আপনি সেরে যায়।এটাই পেট্রোলিয়ামের প্রয়োজনীয়তার আসল পরিচয়।
ক্যালি বাইক্রমঃ
বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ গ্রীষ্মকাল আসলে বৃদ্ধি পায়,শীত কালে আপনা আপনি সেরে যায়।রোগী শীত কাতর হলেও শীতকালও তার জন্য অসহ্য।
মেজরিয়মঃ-
শরীরের বিভিন্ন স্থানে খুজলি,পাচড়া , একজিমা তার উপর মামরি পড়ে।মামড়ির নিচে সাদা বা হলুদ রং এর গাঢ় পূঁজ।ভীষন চুলকানী।ছেলে মেয়েদের মাথার একজিমায় এটি খুব ভাল কাজ করে।
সাইকিউটাঃ-
মাথায় ছোট বড় পুঁজ পূর্ণ ফুস্কুরি।লেপাবৃত আকৃতির হয়ে ঘায়ের উপর মামড়ি(চটা) পড়ে।মামড়ির নীচে হলুদ রঙ্গের পূঁজ সমস্ত মাথায় ছড়াইয়া পড়ে।
ভিনকা মাইনরঃ-
মুখে,কানের পেছনে একজিমা তার উপরে চটা বা মামড়ি পড়ে।মামড়ির নিচে দুর্গন্ধ যুক্ত রস বা পূঁজ।রসে চুল জটা বেধে যায়।
আর্কটিয়ম লাপ্পাঃ
নাকে,মুখে,মাথায়,কানের গোড়ায় একজিমা।সর্বদা রসে ভিজা থাকে,অত্যন্ত দুর্গন্ধ,ঘায়ের উপর সাদা রংয়ের মামড়ি পড়ে।কানের পাশে চোয়ালে বা ঘাড়ে গ্ল্যান্ড ফুলিয়া উঠে।
আর্সেনিক এলবঃ-
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন,সৌখিন,শীত কাতর রোগী একজিমায় অত্যন্ত চুলকানী,যত চুলকায় ততই চুলকাইতে ইচ্ছা ,চুলকানির পর ভীষণ জ্বালা,সেই জ্বালার কথা ভেবে চুলকানি বন্ধ করে।সেই জ্বালা গরম সেকে বা গরম পানিতে উপশম হলে এই ঔষধ অব্যর্থ।
এন্টিম ক্রুডঃ-
গোসলে অনিচ্ছা হাতে,কনুই,পায়ে, হাঁটতে নিতম্বে,পদ্ম কাটার মত উদ্ভেদ চুলকায়।জিহ্বায় সাদা বর্ণের প্রলেপ যুক্তে রোগীদের এন্টিম ক্রুড অধিক উপযোগী।
সোরিনামঃ
শরীর অত্যন্ত কদাকার,খোস পাঁচড়া নানা প্রকার চর্ম রোগ ভয়ানক চুলকানী,পায়খানা প্রস্রাবে মুখের লালা,নাকে সর্দি,কানে পুঁজ ভীষণ দুর্গন্ধ।শরীরে এত দুর্গন্ধ যে লোক কাছে বসতে চায় না।শীত কালে বাড়ে।ঠান্ডা সহ্য হয় না শীত কাতর,এই ধাতুর রোগীদের জন্য এটি সবচেয়ে উপকারি।
কোর্যালিয়মঃ
হাতের পায়ের তলায় একজিমা অত্যন্ত চুলকায়,পায়ের তলায় একজিমায় এটির ব্যবহারে আরগ্য হয়।
নেট্রাম কার্বঃ
রোগী অত্যন্ত শীত কাতর।শীত কালে ঠান্ডা একেবারেই অসহ্য।হাতে আঙ্গুলে ফাটা ফাটা একজিমা।অত্যন্ত চুলকায়।
নেট্রাম মিউরঃ
হাটুর পিছনে,কুনুইতে,অন্ডকোষে একজিমা ভয়ানক চুলকায়।পানি লাগলে চুলকানি বাড়ে।লবণাক্ত খাবার বেশি খাওয়ার ইচ্ছা।মেজাজ রাগী,শান্তনায় বৃদ্ধি,গরমে কাতর।এই ধাতুর রোগীদের নেট্রাম মিউর অধিকতর উপযোগী।
সালফারঃ
খুজলি,পাঁচড়া,বিখাউজ নানা প্রকার চর্মরোগ।অত্যান্ত চুলকানী,যতই চুলকায় ততই চুলকানী বাড়ে।চুলকানীর পর জ্বলে।রোগি গরমে কাতর গোসল করতে চায় না।গোসলে তার সকল রোগ যন্ত্রনা বৃদ্ধি।
ডলিকসঃ
শরীরে কোন প্রকার উদ্ভেদ নাই তবুও ভীষণ চুলকানী।যত চুলকায় ততই চুলকানী বাড়ে।উদ্ভেদ বিহীন চুলকানীতে ডলিকস উত্তম ঔষধ।
এনাগেলিসঃ-
হাতে পায়ে,আঙ্গুলে একজিমা,চামড়ার নীচে ঘামাচির মত এক প্রকার উদ্ভেদ।অত্যন্ত চুলকায় ইহাতে এনাগেলিস উপকারী।
টেলুরিয়মঃ-
মুখে,শরীরের বিভিন্ন স্থানে রিং দাদ অর্থাৎ গোলাকার দাউদে অত্যন্ত চুলকানিতে এটি মহৌষধ।
ব্যাসিলিনামঃ-
শুষ্ক একজিমায় অব্যার্থ মহৌষধ।শরীরের বিভিন্ন্ স্থানে একজিমা চুলকাইলে গরমে ভুষির মত আইশ উঠে।চুলকানী যথেষ্ট হলেও কোন রস বা কষ উঠে না।বদমেজাজী রাগী,শীত কাতর রোগীর বেলায় ইহা অধিক প্রাধান্য প্রাপ্ত।
রাস টক্স ও লিডম পালঃ
এক বা উভয় পায়ে হাটুর নীচে বিখাউজ ,চুলকায় রস পড়ে।
স্পন্জিয়াঃ
কোন প্রকার চর্ম রোগ নির্বাচিতি ঔষধ প্রয়োগ করে উপকার না হলে বা কোন রকম পরিবর্তন না দেখা দিলে এই ঔষধে নিশ্চিত আরোগ্য হবে।
এলোজঃ
খুজলি,পাচড়া,অন্ডকোষের একজিমা নানা রকম চর্ম রোগ শীতকাল আসলে দেখা দেয়।অলস প্রকৃতির,মেজাজ খিটখিটে রাগী,গরমে কাতর,এই ধাতুর রোগীদের ইহা অধিক উপযোগী।
ক্রোটন টিগঃ-
রস যুক্ত বা শুষ্ক একজিমা,ভয়ানক চুলকায়,চুলকানির সময় খুব আরাম বোধ,পরে জ্বালা ঠান্ডা পানিতে জ্বালা বাড়ে।রাতে চুলকানির জন্য ঘুমের ব্যাঘাত।শিশুদের মাথায় ফুষ্কুরি যুক্ত চর্মরোগ,ফুষ্কুরির উপর চটা পড়ে।চটা উঠে গেলে রস ঝরে।এই ধরনের চর্মরোগের সাথে উদরাময় থাকলে ক্রোটনে আরগ্য হয়।
এনাকার্ডিয়াম অক্সিঃ-
মেয়েদের নাকে,মুখে,বুকে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আগুনে পোড়া ফোষ্কার মত উদ্ভেদ বের হয়েলেপাবৃত্ত হয়ে যায়।মাঝে মাঝে চুলকায়।গরম সময়ে এই রোগ হয় বলে অনেকে একে গরম গোটা বলে,এতে এনাকার্ডিয়াম উপকারী।
ইহা সাধারণত ছোঁঁয়াচে রোগ।ফোষ্কার মত কুস্তুরির মত পূঁজ যুক্ত,রস যুক্ত,শুষ্ক বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ দেখা দেয়।এটি একটি যন্ত্রনাদায়ক রোগ।সহজে আরগ্য হয় না।এতে রক্ত দুষিত হয়।অপরিচ্ছন্নতার কারনে এইরোগ বেশি হয়।
চর্মরোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ নির্বাচন গাইড ঃ
গ্রাফাইটিসঃ
-স্থুলকায় সন্দেহ পরায়ন,শীত কাতর রোগীর কানের পাশে,মুখে,মাথায়,চোখের পাতায়,জননেদ্রিয়ে, অন্ডকোষে,হাতের আঙ্গুলে,পায়ের নখে,প্রভৃতি স্থানের চামড়া মোটা,তাতে ভিষন চুলকানী,ক্ষত থেকে মধুর মত আঠালো রস নির্গত হয়।মধুর মত আঠা যুক্ত কষই গ্রাফাইটিসের প্রধান পরিচয়।
পেট্রোলিয়ামঃ
শীতকাতর রোগী,শীত কালে শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাতে,পায়ে,অন্ডকোষে ব্যাপক আকার চর্ম রোগ দেখা দেয়।আবার গ্রীষ্মকাল আসলেই আপনা আপনি সেরে যায়।এটাই পেট্রোলিয়ামের প্রয়োজনীয়তার আসল পরিচয়।
ক্যালি বাইক্রমঃ
বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ গ্রীষ্মকাল আসলে বৃদ্ধি পায়,শীত কালে আপনা আপনি সেরে যায়।রোগী শীত কাতর হলেও শীতকালও তার জন্য অসহ্য।
মেজরিয়মঃ-
শরীরের বিভিন্ন স্থানে খুজলি,পাচড়া , একজিমা তার উপর মামরি পড়ে।মামড়ির নিচে সাদা বা হলুদ রং এর গাঢ় পূঁজ।ভীষন চুলকানী।ছেলে মেয়েদের মাথার একজিমায় এটি খুব ভাল কাজ করে।
সাইকিউটাঃ-
মাথায় ছোট বড় পুঁজ পূর্ণ ফুস্কুরি।লেপাবৃত আকৃতির হয়ে ঘায়ের উপর মামড়ি(চটা) পড়ে।মামড়ির নীচে হলুদ রঙ্গের পূঁজ সমস্ত মাথায় ছড়াইয়া পড়ে।
ভিনকা মাইনরঃ-
মুখে,কানের পেছনে একজিমা তার উপরে চটা বা মামড়ি পড়ে।মামড়ির নিচে দুর্গন্ধ যুক্ত রস বা পূঁজ।রসে চুল জটা বেধে যায়।
আর্কটিয়ম লাপ্পাঃ
নাকে,মুখে,মাথায়,কানের গোড়ায় একজিমা।সর্বদা রসে ভিজা থাকে,অত্যন্ত দুর্গন্ধ,ঘায়ের উপর সাদা রংয়ের মামড়ি পড়ে।কানের পাশে চোয়ালে বা ঘাড়ে গ্ল্যান্ড ফুলিয়া উঠে।
আর্সেনিক এলবঃ-
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন,সৌখিন,শীত কাতর রোগী একজিমায় অত্যন্ত চুলকানী,যত চুলকায় ততই চুলকাইতে ইচ্ছা ,চুলকানির পর ভীষণ জ্বালা,সেই জ্বালার কথা ভেবে চুলকানি বন্ধ করে।সেই জ্বালা গরম সেকে বা গরম পানিতে উপশম হলে এই ঔষধ অব্যর্থ।
এন্টিম ক্রুডঃ-
গোসলে অনিচ্ছা হাতে,কনুই,পায়ে, হাঁটতে নিতম্বে,পদ্ম কাটার মত উদ্ভেদ চুলকায়।জিহ্বায় সাদা বর্ণের প্রলেপ যুক্তে রোগীদের এন্টিম ক্রুড অধিক উপযোগী।
সোরিনামঃ
শরীর অত্যন্ত কদাকার,খোস পাঁচড়া নানা প্রকার চর্ম রোগ ভয়ানক চুলকানী,পায়খানা প্রস্রাবে মুখের লালা,নাকে সর্দি,কানে পুঁজ ভীষণ দুর্গন্ধ।শরীরে এত দুর্গন্ধ যে লোক কাছে বসতে চায় না।শীত কালে বাড়ে।ঠান্ডা সহ্য হয় না শীত কাতর,এই ধাতুর রোগীদের জন্য এটি সবচেয়ে উপকারি।
কোর্যালিয়মঃ
হাতের পায়ের তলায় একজিমা অত্যন্ত চুলকায়,পায়ের তলায় একজিমায় এটির ব্যবহারে আরগ্য হয়।
নেট্রাম কার্বঃ
রোগী অত্যন্ত শীত কাতর।শীত কালে ঠান্ডা একেবারেই অসহ্য।হাতে আঙ্গুলে ফাটা ফাটা একজিমা।অত্যন্ত চুলকায়।
নেট্রাম মিউরঃ
হাটুর পিছনে,কুনুইতে,অন্ডকোষে একজিমা ভয়ানক চুলকায়।পানি লাগলে চুলকানি বাড়ে।লবণাক্ত খাবার বেশি খাওয়ার ইচ্ছা।মেজাজ রাগী,শান্তনায় বৃদ্ধি,গরমে কাতর।এই ধাতুর রোগীদের নেট্রাম মিউর অধিকতর উপযোগী।
সালফারঃ
খুজলি,পাঁচড়া,বিখাউজ নানা প্রকার চর্মরোগ।অত্যান্ত চুলকানী,যতই চুলকায় ততই চুলকানী বাড়ে।চুলকানীর পর জ্বলে।রোগি গরমে কাতর গোসল করতে চায় না।গোসলে তার সকল রোগ যন্ত্রনা বৃদ্ধি।
ডলিকসঃ
শরীরে কোন প্রকার উদ্ভেদ নাই তবুও ভীষণ চুলকানী।যত চুলকায় ততই চুলকানী বাড়ে।উদ্ভেদ বিহীন চুলকানীতে ডলিকস উত্তম ঔষধ।
এনাগেলিসঃ-
হাতে পায়ে,আঙ্গুলে একজিমা,চামড়ার নীচে ঘামাচির মত এক প্রকার উদ্ভেদ।অত্যন্ত চুলকায় ইহাতে এনাগেলিস উপকারী।
টেলুরিয়মঃ-
মুখে,শরীরের বিভিন্ন স্থানে রিং দাদ অর্থাৎ গোলাকার দাউদে অত্যন্ত চুলকানিতে এটি মহৌষধ।
ব্যাসিলিনামঃ-
শুষ্ক একজিমায় অব্যার্থ মহৌষধ।শরীরের বিভিন্ন্ স্থানে একজিমা চুলকাইলে গরমে ভুষির মত আইশ উঠে।চুলকানী যথেষ্ট হলেও কোন রস বা কষ উঠে না।বদমেজাজী রাগী,শীত কাতর রোগীর বেলায় ইহা অধিক প্রাধান্য প্রাপ্ত।
রাস টক্স ও লিডম পালঃ
এক বা উভয় পায়ে হাটুর নীচে বিখাউজ ,চুলকায় রস পড়ে।
স্পন্জিয়াঃ
কোন প্রকার চর্ম রোগ নির্বাচিতি ঔষধ প্রয়োগ করে উপকার না হলে বা কোন রকম পরিবর্তন না দেখা দিলে এই ঔষধে নিশ্চিত আরোগ্য হবে।
এলোজঃ
খুজলি,পাচড়া,অন্ডকোষের একজিমা নানা রকম চর্ম রোগ শীতকাল আসলে দেখা দেয়।অলস প্রকৃতির,মেজাজ খিটখিটে রাগী,গরমে কাতর,এই ধাতুর রোগীদের ইহা অধিক উপযোগী।
ক্রোটন টিগঃ-
রস যুক্ত বা শুষ্ক একজিমা,ভয়ানক চুলকায়,চুলকানির সময় খুব আরাম বোধ,পরে জ্বালা ঠান্ডা পানিতে জ্বালা বাড়ে।রাতে চুলকানির জন্য ঘুমের ব্যাঘাত।শিশুদের মাথায় ফুষ্কুরি যুক্ত চর্মরোগ,ফুষ্কুরির উপর চটা পড়ে।চটা উঠে গেলে রস ঝরে।এই ধরনের চর্মরোগের সাথে উদরাময় থাকলে ক্রোটনে আরগ্য হয়।
এনাকার্ডিয়াম অক্সিঃ-
মেয়েদের নাকে,মুখে,বুকে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আগুনে পোড়া ফোষ্কার মত উদ্ভেদ বের হয়েলেপাবৃত্ত হয়ে যায়।মাঝে মাঝে চুলকায়।গরম সময়ে এই রোগ হয় বলে অনেকে একে গরম গোটা বলে,এতে এনাকার্ডিয়াম উপকারী।
চর্মরোগের বাইয়োকেমিক চিকিৎসা ঃ
ক্যালকেরিয়া ফ্লোরঃ-শরীরের বিভিন্ন স্থানে চর্মরোগ ফাটা ফাটা চর্ম রোগ শীত কালে বৃদ্ধি
ক্যালকেরিয়া ফসঃ-রক্তহীন ফেকাশে দুর্বল রোগীদের নানা প্রকার চর্ম পীরায় ও বৃদ্ধ বয়সে গাঢ় চুলকানীতে এটি অব্যার্থ।
কেলি মিউরঃ- বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ ভীষন চুলকানি।সাদা আঠালো রস নির্গত হয়।গ্রীষ্মকালে শিশুদের গায়ে পানি পূর্ণ ফোষ্কায় এটি অব্যর্থ।
ক্যালি সালফঃ-চর্ম রোগ হতে হলুদ বর্নের আঠালো দূর্গন্ধ রস বের হয়।চুলকায়,বাহ্যিক মলম ব্যাবহারের কারনে চর্মরোগ বসে গিয়ে অন্য রুপ ধারণ করলে ক্যালি সালফ এ আরোগ্য হয়।
ক্যালকেরিয়া সালফঃ-মাথায় পূঁজ পূর্ণ একজিমা চটা পড়ে।চটার নিচে হলুদ রংয়ের গাঢ় পূঁজ হলে ক্যালকেরিয়া সালফ।
নেট্রাম ফসঃ-শিশুদের মাথায় দাউদ হলে নেট্রাম ফস উপকারী।
পথ্য ও আনুষাঙ্গিক ব্যাবস্থা
সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবে।কাপর গরম পানিতে ধুতে হবে।দুধ,ঘি সুপথ্য কিন্তু মাংস,ডিম,টক খাওয়া নিষিদ্ধ।শুষ্ক একজিমায় অর্থাৎ যেই চর্ম রোগে চুলকানির পর কোন রস বা কস বের হয় না।মৌচাকের কাচা মোম গলাইয়া সরিষার তৈলের সহিত মিশাইয়া বাহ্যিক প্রয়োগ করলে উপকার হয়।
ক্যালকেরিয়া ফ্লোরঃ-শরীরের বিভিন্ন স্থানে চর্মরোগ ফাটা ফাটা চর্ম রোগ শীত কালে বৃদ্ধি
ক্যালকেরিয়া ফসঃ-রক্তহীন ফেকাশে দুর্বল রোগীদের নানা প্রকার চর্ম পীরায় ও বৃদ্ধ বয়সে গাঢ় চুলকানীতে এটি অব্যার্থ।
কেলি মিউরঃ- বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ ভীষন চুলকানি।সাদা আঠালো রস নির্গত হয়।গ্রীষ্মকালে শিশুদের গায়ে পানি পূর্ণ ফোষ্কায় এটি অব্যর্থ।
ক্যালি সালফঃ-চর্ম রোগ হতে হলুদ বর্নের আঠালো দূর্গন্ধ রস বের হয়।চুলকায়,বাহ্যিক মলম ব্যাবহারের কারনে চর্মরোগ বসে গিয়ে অন্য রুপ ধারণ করলে ক্যালি সালফ এ আরোগ্য হয়।
ক্যালকেরিয়া সালফঃ-মাথায় পূঁজ পূর্ণ একজিমা চটা পড়ে।চটার নিচে হলুদ রংয়ের গাঢ় পূঁজ হলে ক্যালকেরিয়া সালফ।
নেট্রাম ফসঃ-শিশুদের মাথায় দাউদ হলে নেট্রাম ফস উপকারী।
পথ্য ও আনুষাঙ্গিক ব্যাবস্থা
সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবে।কাপর গরম পানিতে ধুতে হবে।দুধ,ঘি সুপথ্য কিন্তু মাংস,ডিম,টক খাওয়া নিষিদ্ধ।শুষ্ক একজিমায় অর্থাৎ যেই চর্ম রোগে চুলকানির পর কোন রস বা কস বের হয় না।মৌচাকের কাচা মোম গলাইয়া সরিষার তৈলের সহিত মিশাইয়া বাহ্যিক প্রয়োগ করলে উপকার হয়।
Comments
Post a Comment