১। কালো মাথা যুক্ত ব্রণ (Comedones)
সেবাসিয়াস গ্লান্ড সংক্রমিত হয়ে বার বার উদ্ভেদ উৎপন্ন করে, টিপ দিয়ে গেলে দিলে ভাতের মতো বের হয়, যার মাথার দিকে কালচে ভাব থাকে, একবার গেলে দেয়ার পরে আবারো ভাতের মতো জমে, পরবর্তীতে মাথার দিকে কালচে ভাব থাকেনা। একে ব্ল্যাক হেড ও হোইট হেড বলে ডাকা হয়।



কমেডোন্সের ৭ টি লক্ষণ ও তার ওষুধ সমূহ
২। পেপুলার (Papular)
অস্বাভাবিক ভাবে কোষ পরিবর্তন হয়ে ত্বকের রঙ পরিবর্তন করে। এটি ১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। ছবি দেখে সহজেই অনুমান করা যায়।



পেপুলারের ১১ টি লক্ষণ ও তার ওষুধ সমূহ
৩। পুঁজবটি / পুঁজ উৎপাদক উদ্ভেদ (Pustules / Suppurating)
পুঁজ পূর্ণ ফুসকুড়িকে পুঁজ বটি (Pustules) বলে এবং যে ফুসকুড়ির পুঁজ বাহির করার পরেও বার বার পুঁজ উৎপন্ন হয় তাকে পুঁজ উৎপাদক উদ্ভেদ (Suppurating) বলে।



পুজবটির ৪৯ টি লক্ষণ ও তার ওষুধ সমূহ
৪। লোমফোঁড়া (Boils)
লোম ফোড়া চামড়ার নিচে ব্যথা যুক্ত পুঁজবটি যার ফলে ত্বক লাল ও প্রদাহিত হয়ে বড় আকারের ফুসকুড়ি উৎপন্ন করে। লোমফোঁড়া সাধারণত সংক্রমিত লোম বা চুলের বীজকোষ থেকে উৎপন্ন হয়, এর ফলে পুঁজ গহ্বর ও ব্যথা উৎপন্ন হয়।



লোমফোঁড়ার ২৩ টি লক্ষণ ও তার ওষুধ সমূহ
৫। ক্ষুদ্র আব / পুঁজকৌষিক (Nodular / Cystic)
গুটি যুক্ত উদ্ভেদ যা প্রায়ই বেদনা যুক্ত হয়, ফুসকুড়ি থেকে আরো গুরুতর হয় ও ত্বকের গভির স্তর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। কিছু কিছু Nodular উদ্ভেদ শক্ত হয়ে থাকে যাতে কোন প্রকার ব্যথা থাকেনা।



ক্ষুদ্র আব / পুঁজকৌষিকের ২২ টি লক্ষণ ও তার ওষুধ সমূহ
৬। উদ্ভেদের বা ক্ষতের দাগ (Scars)
ব্রণ, উদ্ভেদ বা যেকোনো ক্ষত বা আঁচরের দাগ আমাদের ত্বকে থেকে যায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় এ দাগকে বিবেচনায় নিয়ে রোগীকে চিকিৎসা দিতে হবে। তাই নিম্নে লক্ষণ সমূহ দেয়া হল।



উদ্ভেদের বা ক্ষতের দাগের ৪৭ টি লক্ষণ ও তার ওষুধ সমূহ
৭। তৈলাক্ত ত্বকের প্রভাব (Greasy / Oily)
মুখমণ্ডলে ব্রণ উৎপন্ন হওয়ার জন্য তৈলাক্ত ত্বকের প্রভাব অনেক অংশে দায়ী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় তৈলাক্ত ত্বকের প্রভাবকে বিবেচনায় নিয়ে রোগীকে চিকিৎসা দিতে হবে। তাই নিম্নে লক্ষণ সমূহ দেয়া হল।


তৈলাক্ত ত্বকের প্রভাবের ৮ টি লক্ষণ ও তার ওষুধ সমূহ
ব্রণ প্রতিরোধ করার উপায়
১। মুখমণ্ডলে তৈলাক্ত ভাব থাকলে তা কমানোর জন্য দিনে কয়েকবার সাবান দিয়ে মুখমণ্ডল ধুতে হবে এবং তোয়ালে বা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছতে হবে।
২। বেশি করে শাক-সবজি খেতে হবে।
৩। তৈলাক্ত, ঝাল, ভাজাপোড়া, চকলেট, আইসক্রিম ও অন্যান্য ফাস্টফুড খাওয়া কমাতে হবে।
৪। ব্রণে খোঁটা বা টেপা যাবে না। এতে বিশ্রী দাগ ও ইনফেকশন হতে পারে।
৫। ময়লা তোয়ালে, নখ, সূচ, আলপিনের জীবাণু সহ যেকোনো প্রকার জীবাণু সংক্রমণ থেকে সাবধান থাকতে হবে।
৬। অনেকে ফর্সা হওয়ার জন্য বা ব্রণের প্রতিকার হিসেবে স্টেরয়েড অয়েনমেন্ট ব্যবহার করে। এটা কোনোভাবেই করা যাবে না। এতে চামড়ার প্রচণ্ড ক্ষতি হতে পারে। স্টেরয়েড অয়েনমেন্ট ব্যবহার করার কারণে উল্টো ব্রণের সৃষ্টি হতে পারে।
৭। ব্রণ পেকে গেলে বা বেশী হয়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
২। বেশি করে শাক-সবজি খেতে হবে।
৩। তৈলাক্ত, ঝাল, ভাজাপোড়া, চকলেট, আইসক্রিম ও অন্যান্য ফাস্টফুড খাওয়া কমাতে হবে।
৪। ব্রণে খোঁটা বা টেপা যাবে না। এতে বিশ্রী দাগ ও ইনফেকশন হতে পারে।
৫। ময়লা তোয়ালে, নখ, সূচ, আলপিনের জীবাণু সহ যেকোনো প্রকার জীবাণু সংক্রমণ থেকে সাবধান থাকতে হবে।
৬। অনেকে ফর্সা হওয়ার জন্য বা ব্রণের প্রতিকার হিসেবে স্টেরয়েড অয়েনমেন্ট ব্যবহার করে। এটা কোনোভাবেই করা যাবে না। এতে চামড়ার প্রচণ্ড ক্ষতি হতে পারে। স্টেরয়েড অয়েনমেন্ট ব্যবহার করার কারণে উল্টো ব্রণের সৃষ্টি হতে পারে।
৭। ব্রণ পেকে গেলে বা বেশী হয়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
সতর্কতা
১। ব্রণ চিকিৎসার জন্য একজন হোমিওপ্যাথি ডাক্তারকে এটুকু জানাই যথেষ্ট নয়। রোগীর রোগ লক্ষণের পাশাপাশি মনোলক্ষণ, সার্বদৈহিক লক্ষণ, ধাতুগত লক্ষণ ও মায়াজম বিশ্লেষণ করে, একটি মাত্র ঔষধ নির্বাচন করতে হবে। এরপর ঔষধ প্রয়োগ বিধি মত রোগীকে ঔষধ দিতে হবে। দ্বিতীয় নির্বাচন সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান থাকতে হবে। তবেই আমরা একজন ভাল মানের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হতে পাড়ব ইনশাল্লাহ।
২। রোগীগণ ফার্মেসি থেকে ক্রয় করা র-মেডিসিন কখনো সেবন করবেননা। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। আপনাকে অবশ্যই একজন ডাক্তারের অধীনে চিকিৎসা নিতে হবে
Comments
Post a Comment